All for Joomla The Word of Web Design
নগর জীবন

গুপ্তধন মেলেনি মিরপুরের সেই বাড়ি থেকে

অনলাইন ডেস্ক
কিছুই মেলেনি মিরপুরের রহস্যঘেরা বাড়ি থেকে। গুপ্তধনের সন্ধানে ব্যপক প্রস্তুতি নিয়ে খোড়া-খুড়ি ও সবশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার করেও কোন কিছুরই সন্ধান পাওয়া যায়নি। অবশেষে গুপ্তধনের সন্ধানে চালানো অভিযানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়েছে। ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজওয়ার আকরাম সাংবাদিকদের বলেন, গুপ্তধনের সন্ধানে প্রথম ওই ঘরের মেঝে খুড়া হয়েছিলো। প্রায় সাড়ে চার ফিট গভীরে খোড়ার পরও কোন কিছুর সন্ধান পাওয়া যায়নিন। পরবর্তী ভূতাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতর ও বুয়েটের এক্সপার্ট এনে ওই বাড়ির ভেতরে জিপিআর স্ক্যানার দিয়ে পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। কিন্তু তাতেও সেখানে কোনও ধাতব বা গুপ্তধনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তাই অভিযানটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হলো।’ পাশাপাশি ওই বাড়ি থেকে পুলিশের পাহারাও তুলে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

গত ২১ জুলাই শনিবার সকাল ১০ টা থেকে গুপ্তধনের সন্ধানে ঢাকা জেলার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো: আনোয়ারুজ্জামানের উপস্থিতিতে ২০ জন শ্রমিক মিরপুর ১০ নম্বরের সি ব্লকের ১৬ নম্বর রোডের ১৬ নম্বর টিন সেড বাড়িতে খনন কাজ শুরু করে। ৬ ঘন্টা খনন কাজ করেও গুপ্তধনের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। তাই বিকেল ৪ টার দিকে খনন কাজ স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজওয়ার আকরাম বিশেষজ্ঞদের প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুনরায় সন্ধান কাজ শুরু করা হয়।

এর আগে গুপ্তধনের সন্ধানদাতা তৈয়ব বলেন, তার ঘনিষ্ট বন্ধু আলমের দুর সম্পর্কের আত্মীয় দিলশাদ খান। তিনি ১৯৭১ সালে পাকি¯Íান চলে যান। আলমও পাকি¯Íানে থাকেন। তবে আলম মাঝে মধ্যে দেশে আসেন। বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তিনি জানান, আলম তাকে তথ্য দিয়েছেন, মিরপুরের ওই বাড়িটির নিচে দুই মণের বেশি স্বর্ণালংকার ও দামি জিনিসপত্র রয়েছে। পাকিস্তানে থাকাকালে আলমকে ওই তথ্য দিয়েছেন দিলশাদ। এরপর আলমকে নিয়ে তৈয়ব মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা এ সম্পদ দখলে নিতে টেকনাফ থেকে ঢাকায় আসেন। ঢাকায় আসার পর তৈয়বকে আড়ালে রেখে গোপনে বাড়িটির বর্তমান মালিকের সঙ্গে আঁতাত করেন আলম। তারা মাটির নিচের সম্পদ হাতিয়ে নেয়ার পাঁয়তারা করেন। বিষয়টি টের পেয়ে তিনি তার পূর্বপরিচিত রাবেয়া চৌধুরী নামে এক নারীকে নিয়ে থানায় যান। তারা বিষয়টি জানিয়ে থানায় একটি জিডি করার সিদ্ধান্ত নেন।

অন্যদিকে, এই বাড়ির বর্তমান মালিক ব্যবসায়ী মনিরুরল ইসলাম বলেন, ২০১০ সালে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সেলিম রেজা নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে বাড়িটি তিনি কিনেছিলেন। বাড়ি ভেঙ্গে নতুন করে নির্মান করা হবে বলে ভাড়াটিয়াদের বের করে দেয়া হয়। বর্তমানে বাড়িতে কেউ থাকে না। তিনি বলেন, ওই বাড়ির নিচে গুপ্তধন রয়েছে এমন তথ্য দিয়ে কেউ থানায় জিডি করেছেন। এরপর তিনি নিজেও পুলিশের সহায়তা নেন। পাশাপাশি বাড়ির মাটির নিচে যদি কোনো ধরনের গুপ্তধন থাকে তা উদ্ধারের আহ্বান জানান। এ সংক্রান্ত সকল ব্যয়ভার বহন করারও কথা বলেন তিনি। মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আরিফুর রহমান সরদার বলেন, মিরপুরের ওই বাড়িতে কোনও গুপ্তধন পাওয়া যায়নি। রেজাল্ট জিরো। তাই প্রশাসনের নির্দেশে সেখান থেকে পুলিশি পাহারা তুলে নেওয়া হয়েছে।

২৯ Comments

Leave a Comment

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password

শিরোনাম:
  ❖   কোন ষড়যন্ত্রেই বাংলাদেশের উন্নয়নের চাকা থামবে না : সমাজকল্যাণমন্ত্রী   ❖   বিএনপির রাজনীতি চলে গেছে জিয়া পরিবারের বাইরে   ❖   নির্বাচন কমিশন কোনো দলের কথায় কাজ করবে না : সিইসি   ❖   সেই গোপালগঞ্জ এই গোপালগঞ্জ   ❖   দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী   ❖   আমিও একজন দালাল!   ❖   জামিন পেল ‘ধর্ষক বাবা’ সেই রাম রহিম   ❖   চীনের আন্ডারগ্রাউন্ড এয়ারবেস তৈরি নিয়ে চিন্তিত ভারত!   ❖   ফরিদপুরে পুড়ে গেছে ২৫ দোকান, ৩ কোটি টাকার ক্ষতি   ❖   সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলার ডুবি, ২ শিশু নিখোঁজ