All for Joomla The Word of Web Design
ইউরোপ

ফ্রান্স প্রবাসীর সফলতা: একটি সাক্ষাতকার

সাক্ষাতকার গ্রহণ করেছেন, “খান মুফতি মাহমুদ”— প্রবাসী লেখক ও “মাই নিউজ” ফ্রান্স প্রতিনিধি।

মুহাম্মদ হামিদুল আলম। ফ্রান্সের নাগরিক। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন প্যারিস, ফ্রান্সে। জন্মসূত্রে তিনি একজন খাঁটি বাংলাদেশী। বাংলাদেশের দিনাজপুর সদরে তাঁর জন্ম। ৩৪ বছর আগে তিনি ফ্রান্সে আসেন। বহুবছর ধরে “এ ক্যাটাগরির” বা প্রথম শ্রেণির (Fonctionnaire) সরকারি চাকুরি করছেন। ইতোমধ্যেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্মান নিয়েই আছেন।

তবে ফ্রান্সে বাংলাদেশী কমিউনিটিতে সরকারি চাকুরির কথা শুনলে অনেকের চোখ হয়ত কপালে ওঠবে। বলবেন, ফ্রান্সে সরকারি চাকুরি! তাও কী সম্ভব?

হ্যাঁ, সম্ভব। মুহাম্মদ হামিদুল আলম তা জয় করেছেন বহুবছর পূর্বে। ১৯৯৬ সাল থেকে।

যতটুকু জানা যায়, তিনি এদেশে তার চেষ্টা, মেধার পরিচয় দিয়ে প্রথম বাংলাদেশী হিসাবে সরকারি চাকুরির যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

মুহাম্মদ হামিদুল আলমের এ সফলতার পূর্বাপর তার মুখ থেকে জানার জন্য “মাই নিউজ”-এর ফ্রান্স প্রতিনিধি খান মুফতি মাহমুদ একটি সাক্ষাতকার গ্রহণ করেছেন। যা থেকে আমরা বিশদভাবে জানতে পারব।

মুহাম্মদ হামিদুল আলম এবং খান মুফতি মাহমুদ

একটি কথা বলে রাখা ভালো, মুহাম্মদ হামিদুল আলম প্রচারবিমুখ মানুষ। বিষেশ অনুরোধে ব্যস্ততার মাঝেও সময় দিয়েছেন। মাই নিউজ-এর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

মাই নিউজ:- আপনার সংক্ষিপ্ত পরিচয় জানতে চাচ্ছি।
মুহা. আলম:- আমার প্রথম পরিচয় আমি একজন বাংলাদেশী। দিনাজপুর জেলায় আমার জন্ম। যদিও বর্তমানে ফ্রান্স এবং বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বহন করছি।

মাই নিউজ:- বাংলাদেশে কতটুকু লেখাপড়া করেছেন ?
মুহা. আলম:- বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও দিনাজপুর সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষে প্যারিস তথা ফ্রান্সে চলে আসি।

মাই নিউজ:- কত সালে ফ্রান্সে এসেছেন এবং কেন?
মুহা. আলম:- ১৯৮৪ সালে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য প্যারিসে এসেছি। তখন আমার বয়স ছিল একুশ বছর। জীবনে ভালো কিছু করার স্পৃহা আমার ছোটবেলা থেকেই ছিল।

মাই নিউজ:- বৈধতা কীভাবে পেয়েছেন?
মুহা. আলম:- ফ্রান্সে অধ্যয়নরত অবস্থায় যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদনের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের বিশেষ আদেশে (Dérogation ministériel) স্থায়ী বৈধতা বা বসবাসের সুযোগ পাই।

মাই নিউজ:- এদেশে আপনি লেখাপড়া করতে এসেছেন বললেন, তো কী ধরনের পড়াশুনা করেছেন?
মুহা. আলম:- হ্যাঁ, ফ্রান্সের প্রাচীনতম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Consarvotoir national des Arts et Métiers – www.cnam.fr) থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক, স্নাতোকত্তর শ্রেণিতে ডিগ্রি অর্জন করি।

ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট “ফ্রান্সোয়া হলান্ড”-এর সাথে সফল প্রবাসী ” মুহাম্মাদ হামিদুল আলম”

মাই নিউজ:- ফ্রান্সের মতো দেশে সরকারি চাকুরির ধারণা কার কাছ থেকে পেয়েছেন? এ বিষয়ে যদি বিস্তারিত বলেন।
মুহা. আলম:- বাবা বাংলাদেশে সরকারি চাকুরি করতেন। তাই লেখাপড়া শেষে ভালো চাকুরি করার ইচ্ছা মনে পোষণ করতাম। যার ধারাবাহিকতায় ফ্রান্সে উচ্চতর ডিগ্রি শেষে বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করলেও সর্বশেষ সরকারী ‘এ’ ক্যাটাগরির চাকুরিতে প্রবেশে সফল হই।

মাই নিউজ:- কতসালে (ফ্রান্সে) আপনি সরকারি চাকুরির জন্য চেষ্টা করেন? নিয়মটা কী? কী ধরনের চাকুরি— একটু যদি বর্ণনা দেন।
মুহা. আলম:- ১৯৯১ সালে আমি ফরাসি নাগরিকত্ব লাভ করি। ফ্রান্সে সরকারি কর্মকর্তা পদে চাকুরি করার মনের ইচ্ছাকে বাস্তবায়ন করার লক্ষে ১৯৯৬ সালে (concour) সরকারি চাকুরির প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিই এবং আল্লাহর মেহেরবানিতে উত্তীর্ণ হই। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা (Attache d’administration D’Etat) হিসাবে শিক্ষামন্ত্রণালয়ে কর্মরত আছি।

মাই নিউজ:- ফ্রান্সে আসার পূর্বে বাংলাদেশে কিছু করতেন কী?
মুহা. আলম:- স্নাতক অধ্যয়নরত অবস্থায় প্রবাসে চলে আসি।

মাই নিউজ:- আপনার সাথে এখানে আর কে আছেন? তাঁরা কী করেন?
মুহা. আলম:- আমার সহধর্মীনি ও আমার এক কন্যা নিয়ে বসবাস করছি। অপরদিকে আমার বড়বোন ও ছোটভাই ফ্রান্সে বসবাস করেন। তাঁরাও সরকারি চাকুরি করেন।

মাই নিউজ:- বাংলাদেশী যারা ফ্রান্সে আছেন তাঁদের কাজ ও ব্যবসা সম্পর্কে আপনার কী ধারণা!
মুহা. আলম:- প্রথমে বলতে হয়, ফ্রান্সে আমাদের আসা ও বসবাসের উদ্দেশ্য নিয়ে। আমরা কী করতে চাই? চাকুরি নাকি ব্যবসা? দুই ক্ষেত্রেই সফল হওয়া সম্ভব। ঠিক করতে হবে উদ্দেশ্য, এরপর চেষ্টা।

মাই নিউজ:- আপনার মতো তাঁদেরও কি চাকুরির সুযোগ রয়েছে? থাকলে কী কী করতে হবে, যদি বলতেন।
মুহা. আলম:- ফরাসি নাগরিকত্ব লাভ করে যথাযথ শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রদর্শনের মাধ্যমে সরকারি চাকুরির সুযোগ বাংলাদেশীসহ সকলের জন্য উন্মুক্ত।

মাই নিউজ:- নতুন প্রজন্ম অর্থ্যাৎ যারা ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করছেন তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বলুন।
মুহা. আলম:- নতুন প্রজন্ম নিয়ে আমি একদিকে খুবই আশাবাদী। অপরদিকে কিছুটা হতাশ। হতাশার কারণ হলো, নতুন প্রজন্মের জন্য সঠিক দিক নির্দেশনার খুবই অভাব। তবে অনেকেই ভালো ভালো সেক্টরে কাজ করার চেষ্টা করছেন।

মাই নিউজ:- আপনার জানামতে বাংলাদেশী অন্য কেউ কি আছেন সরকারি অথবা বেসরকারি ভালো কোনো চাকুরি করেন।
মুহা. আলম:- সরকারি চাকুরিতে শিক্ষকতা পেশাসহ খুব সামান্য সংখ্যক বাংলাদেশী এখন পর্যন্ত রয়েছেন বলে জানা যায়। তবে প্রাইভেট সেক্টরে বাংলাদেশীদের চাকুরি প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

মাই নিউজ:- বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী হিসেবে চাকুরি করতে যেয়ে আপনার কোনো সমস্যায় পড়তে হয়েছে কি? (ধর্মীয়, সামাজিক) বিব্রতকর বা দুঃখজনক পরিস্থিতি— যদি বলতেন।
মুহা. আলম:- না, তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না। ফ্রান্সে মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন করা হয় বিধায় এদেশের তিন গুরুত্বপূর্ণ স্লোগান, লিবারেটি (স্বাধীনতা)-ইগালিটি (সমতা)- ফ্রাতারনিটি (বন্ধুত্ব) সকলেই ভোগ করছেন। যা আইন দ্বারা স্বীকৃত। ফ্রান্স একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। ফ্রান্স রাষ্ট্রের কোনো ধর্ম নেই।

মাই নিউজ:- ফ্রান্সে আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া কোনো আনন্দের ঘটনা পাঠকদের জন্য বলবেন কী?
মুহা. আলম:- আনন্দের আগে বলব বেদনাদায়ক ঘটনা। ফ্রান্সে আমার সাথে বসবাসরত আমার মায়ের মৃত্যু। অপরদিকে আনন্দের হলো, ফ্রান্সের জীবনে আমি কোনোদিন বেকার বা কর্মহীন থাকিনি এবং আল্লাহর কৃপায় কোনো কাজেই ব্যর্থ হয়নি।

মাই নিউজ:- উন্নত বিশ্বের বহু দেশে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত অনেক ভালো ভালো জব করছেন, যেমন ইউনিভার্সিটিতে পড়ান, চিকিৎসক এমনকি রাজনীতিতেও সক্রিয় রয়েছেন, কিন্তু ফ্রান্সে নেই কেন? সমস্যা কী বলে আপনি মনে করেন?
মুহা. আলম:- পূর্বেই বলেছি সঠিক গাইড লাইনের অভাব। তাছাড়া পুরাতন যারা রয়েছি অর্থ্যাৎ নতুন প্রজন্মের বাবা মায়েরা একদিকে ভাষাগত দিকে দুর্বল অপরদিকে ভালো কাজ করার সংখ্যা সীমিত হওয়ায় তাঁদের সন্তানদের জন্যও চাহিদা খুব কম দেখা যায়। এখানে উল্লেখ করতে হয় যে, ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করেননি , তারপরও মেধা যোগ্যতা দিয়ে এদেশের মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।

মাই নিউজ:- এদেশে দেখা যায় যে, চাকুরিসহ যেকোনো কাজে একজন অন্যজনকে সন্মান করেন, কাজের ছোট বড়/পদ পদবী বিবেচ্য নয়, যেটা বাংলাদেশে দেখা যায়— এ বিষয়ে কিছু বলবেন কী?
মুহা. আলম:- ফ্রান্সকে বলা হয়, মানবতাবাদী রাষ্ট্র (pays des droits des l’homme) সকল মানুষকে মানুষ হিসাবে মূল্যায়ন করা হয়। তবে পদপদবীর মূল্যায়ন হলো ভিন্ন বিষয়। পড়াশুনা বা যোগ্যতা ভেদে আমরা ভিন্ন পদপদবী অর্জন করে থাকি। যেমনি কাজের বেতনও ভিন্ন হয়ে থাকে। তারমানে এই নয় যে, বেতন কম দিয়ে অসম্মান করা হচ্ছে।

মাই নিউজ:- পরবাসে আপনি কেমন আছেন? বাংলাদেশ এবং ফ্রান্সে বসবাসের ক্ষেত্রে আপনি কোনটাকে বেশি পছন্দ করেন? এবং কেন দয়া করে বুঝিয়ে বলবেন কি?
মুহা. আলম:- আলহামদুলিল্লাহ, অনেক ভালো আছি। ভালো চাকুরি, সরকারি বাসভবন, সরকারি সুযোগ সুবিধা ও মর্যাদা সবই ভোগ করছি। যৌবন থেকে আজ অবধি ৩৪ বছর প্যারিসে বসবাস করছি। তাই কোনটা আমার পছন্দের— আপনাদের অর্থ্যাৎ পাঠকদের নিকট ছেড়ে দিলাম।

মাই নিউজ:- আপনি বলেছেন যে, সঠিক দিক নির্দেশনার অভাবে নতুন প্রজন্ম এদেশে আগাতে পারছে না। এদ্বারা আপনি কী বুঝাতে চেয়েছেন? কী করতে হবে নতুন প্রজন্মকে?
মুহা. আলম:- আমি মনে করি, সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া আর টাকা ইনকাম করা এককথা নয়। শিক্ষিত না হয়েও টাকা রোজগার করা যায়। ধনী হওয়া যায়। মনের ধনী/ সম্পদ হলো— শিক্ষা বা জ্ঞানার্জন। যা মানুষকে সচেতন করে। ভালো মন্দ বুঝবার ক্ষমতা পায়। যেহেতু আমরা পূর্ববর্তী প্রজন্ম এদেশের শিক্ষায় শিক্ষিত নয়। বিষেশ করে ভাষাগত দুর্বলতার কারণে। তাই আমরা নতুন প্রজন্মকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ হবার পূর্বেই টাকা রোজগারের পথ বাতলিয়ে দিই। যদিও সকলেই এ পথের পথিক নই, তবে অধিকাংশের মনমানসিকতা হলো— টাকা ইনকাম।

মাই নিউজ:- বাংলাদেশ থেকে অনেক শিক্ষিত তরুণরা এদেশে আসছেন ও আসতে চাচ্ছেন। যে পদ্ধতিতে আসছেন , তা কি সঠিক? ভালো কিছু করতে হলে কীভাবে আসা উচিত? এ ব্যাপারে আপনার মতামত কী?
মুহা. আলম:- ফ্রান্স অথবা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশগুলোতে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশীরা আসছেন। এর ভালোদিক হলো, তাঁরা বিদেশে টাকা ইনকাম করে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করছেন। শিক্ষিত তরুণরা সঠিক পদ্ধতিতে না আসার কারণে তার শিক্ষাকে কাজে লাগাতে পারছেন না। অনেক পরিশ্রম করছেন, কিন্তু সঠিকভাবে মূল্যায়িত হচ্ছেন না। তাই আমি মনে করি, প্রথমে তরুণদের জীবনের উদ্দেশ্য ঠিক করতে হবে।

মাই নিউজ:- ধর্মনিরপক্ষ রাষ্ট্র অর্থ্যাৎ খ্রিষ্টান অধ্যুষিত ফ্রান্সে ইসলাম ধর্মের অনুশাসন মেনে চলতে আপনার ও আপনার সন্তানের জন্য সমস্যা হয় কি? যেমন নামাজ, কোরআন শিক্ষা ইত্যাদি।
মুহা. আলম:- আগেই বলেছি, ফ্রান্স রাষ্ট্রের কোনো ধর্ম নেই। তাছাড়া ধর্ম পালনেও কারো বাধা নেই। পৃথিবী ব্যাপি রাষ্ট্রগুলো সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতেই চলে। যা ধর্মসহ সকল ক্ষেত্রেই বিদ্যমান। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, মুসলমান হিসাবে ইসলাম ধর্মের মূল স্তম্ভ পালনে মোটামুটিভাবে কোনো সমস্যা হয় না। আমি কাজের বিরতিতে নামাজ আদায়ের চেষ্টা করি। রমজান মাসে রোজা রাখি। নিজে কোরআন পড়ি, সন্তানকে কোরআন ও ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা করেছি।

মাই নিউজ:- প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকুরির কারণে সকল ধরনের সরকারি সুবিধা ও সম্মান নিয়ে আপনি তো এদেশে ভালো আছেন। আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কী? এদেশেই থাকবেন, নাকি বাংলাদেশে চলে যাবেন?
মুহা. আলম:- যেহেতু আমি বর্তমানে চাকুরিরত। আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে, এখনই বাংলাদেশ যাবার বা না যাওয়ার বিষয়ে কিছু ভাবছি না।…

“ভ্রমণপিপাসু মুহাম্মদ হামিদুল আলম ছুটি পেলেই মাতৃভূমি বাংলদেশসহ ইউরোপ ও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ঘুড়ে বেড়ান।
মুহাম্মদ হামিদুল আলম খ্রিষ্টান অধ্যুষিত রাষ্ট্র ফ্রান্সে বসবাস করেও তিনি যেমন ইসলাম ধর্মের অনুশাসন মেনে চলার চেষ্টা করেন।
তিনি বলেন, সঠিক গাইডলাইন, ইচ্ছা, পরিশ্রম দিয়ে ভালো কিছু অর্জন করা সহজ। যা তার জীবন পরিবর্তনের হাতিয়ার ছিল। তাই বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ভবিষ্যতের নতুন প্রজন্ম সত্যিকার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জন করে সকল ক্ষেত্রে সফলতা দেখাবেন— তাই তিনি কামনা করেন।”

মাই নিউজ/মাহদী

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password

শিরোনাম:
  ❖   মানুষ কি ‘বিবেকবান প্রাণী’?   ❖   তদবির ও ভিপি নুরের টাকা লেনদেনের ফোনালাপ ফাঁস (অডিও)   ❖   নেদারল্যান্ডসকে প্রধানমন্ত্রী: মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করুন   ❖   নান্দনিক এক মসজিদ উপহার   ❖   ‘মজলিসে দাওয়াতুল হক’-এর ইজতেমায় আমন্ত্রণ   ❖   আব্বু, আমিও পড়ব   ❖   ডিএমপি’র ১৮ পুলিশ পরিদর্শককে বদলি   ❖   ওবায়দুল কাদেরকে পুলিশ ছাড়া রাজপথে নামার চ্যালেঞ্জ   ❖   ধনেপাতা ইনসুলিন, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণসহ ৭ রোগের মহৌষধ   ❖   আবারো সেই হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু!