All for Joomla The Word of Web Design
উপন্যাস

ধারাবাহিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস

ফ্লেউর ডে লিস (পর্ব : ৪)

মাসউদ আহমাদ
(তরুণ লেখক)

‘পৃথিবীর সৌন্দর্যকে কীভাবে উপভোগ করা যায়? সবাই এ কাজটা পারে? সৌন্দর্য কী? ভালোলাগা। মানুষের কোনোকিছু ভালো লাগে, আর সে তা ভালোবেসে ফেলে।

ভালোবাসা একটি সৌন্দর্য। এ সৌন্দর্যের সাথে যা-ই খাপ খায়, সেটিও একটি সৌন্দর্য হিসেবে পরিগণিত হয়। কোনোকিছু সুন্দর বলে অনুভব করার মানে, মনের একটি অংশ এমন সৌন্দর্যকে ধারণ করে। প্রকৃতি—কোনো ফুলবাগান, পাহাড়, সমুদ্র আমার ভালো লাগে ও সুন্দর বলে মনে হয়, এর মানে, আমার হৃদয়ের এতটুকু সৌন্দর্য রয়েছে। সুন্দর অনুভুতিগুলো সুন্দর হৃদয়ের ফসল আর সুন্দর সবকিছু সুন্দর হৃদয়ের রং। ভালোবাসা সুন্দর অনুভূতি।…

পড়ল মিলান। সে এখন চাইছে একটি গল্প পড়তে। ভালোবাসার গল্প তো পাওয়া যাবে!…

…কোনো একদিন বিকেলবেলা স্কুলের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি। একটু পরই ছুটি হবে।

বাইরে বৃষ্টি বৃষ্টি ভাব ছিল। জানা ছিল না, কখন বৃষ্টি নামবে। নিজেকে কেমন উদাস অনুভব করছিলাম। ভাবছিলাম, জীবনটা আসলে কী।

স্কুলের কোনো পরীক্ষায় প্রথম হতে পারিনি। আজও রেজাল্ট দিয়েছে, যথারীতি আমি প্রথম নই। সেই মেয়েটি, রহিমাই এবারও প্রথম। একে পেছনে ফেলা আমার হচ্ছে না। কোনোদিন কি হবে না?

সেদিনের পর থেকে পড়ালেখায় আরও জোর দিতে লাগলাম। কুপী জ্বেলে আরও রাত জাগা শুরু হলো। দেরিতে ঘুমাই ও খুব ভোরে জেগে উঠি। পড়তে বসি।

গত আট বছর ধরে রহিমাই ক্লাসের প্রথম। কেউ তাকে পেছনে ফেলতে পারেনি। এখন হয়তো কেউ ভাবেও না যে তাকে পেছনে ফেলা সম্ভব। কিন্তু আমি তাকে পেছনে ফেলতে চাইছি।

বেশ কয়েকটি মাস পার হলো। আমাদের আর-একটি পরীক্ষার এলার্ন হয়েছে। আমার প্রস্তুতি বছরের শুরু থেকেই ভালোমতো চলছে। পরীক্ষা নিয়ে চিন্তা নেই, কিছু প্রথম হওয়ার বিষয়টি আমাকে চিন্তিত রেখেছে।

পরীক্ষার হলে সেদিন রহিমার পেছনের সিটটিতে ছিলাম। তখনও প্রশ্ন হাতে আসেনি। সম্ভবত কাগজে দাগ কাটছিলাম। একই কাজ রহিমাও করছিল, তার দিকেও খেয়াল ছিল আমার। একটা সময় আমি রহিমাকে উদ্দেশ্য করে সবাই শুনতে পারে এমন আওয়াজে বললাম, ‘রহিমা, তোর কলমটা দিবি? তোর তো সব দামি দামি কলম। ভাই বিদেশ থাকে!’ রহিমাও উঁচু আওয়াজে আমাকে বলে উঠল, ‘জীবন দেবো, কিন্তু কলম দেবো না আমি।’ আমি না চাইতেও বলে ফেললাম, ‘তাহলে জীবনটাই দে।’ ও বলল, ‘যা, দিলাম।’

ক্লাসের সবাই আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। একটু পর একটা হুলস্থূল বেঁধে গেল। এটা আমার কাছে স্রেফ মজার বিষয়ই ছিল। কিন্তু রহিমার কথাটি ছিল তার অনেকদিনের অনুভূতি থেকে।

তারপর একদিন স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফিরছি। স্কুলের সামনের পুকুরপাড় ধরে তখন একা হাঁটছি। রহিমা আমার কাছে দৌড়ে এলো। সে বলল যে, তার একটা কথা বলার আছে আমার কাছে।

আমি বললাম, ‘কী কথা?’

-একটা জিনিস চাইব যা আপনার কাছে আছে। যদি দেবেন বলে ওয়াদা করেন, তাহলে বলব।

সে আমাকে আপনি করে বলেছিল। যদিও ক্লাসে এটা ছিল না। আমি বললাম, ‘আমার কাছে এমন কিছুই নেই তোকে দেওয়ার মতো। আমাদের নুন না আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা, আমার কাছে কী চাস।’

-আসলে এটা আছে আপনার আর তা চাইলেই আমাকে দিতে পারেন। না করবেন না!

তার চোখেমুখে সিরিয়াস ভাব দেখে আমি রাজি হলাম। বললাম, ‘বল, কী চাস, আমার সাধ্যে থাকলে অবশ্যই দেবো।’

-আপনি আগে ওয়াদা করেন যে সত্যিই দেবেন।
-ওয়াদা করলাম, দেব।
-আমাকে আপনার মনটা দিন।

হতভম্ব আমি। বলে কী!

আমি বলে উঠলাম, ‘তুই কী বলিস! পাগল হয়েছিস?! আমি তোকে মন দেবো মানে! এসবের মানে কী!’

-আমি আপনাকে পছন্দ করি। অনেকদিন থেকে। কিন্তু বলি না। আজ বলে ফেললাম। আপনি ওয়াদা করেছেন। এখন ফেলতে পারবেন না।

-এটা সম্ভব না। এটা কিছুতেই সম্ভব না। কোথায় তুই আর কোথায় আমি। তুই এমনটা ভাবলি কী করে!

-এটা অসম্ভবের কিছু না।

সে প্রায় কেঁদে ফেলল। আমি বোঝাতে চেষ্টা করলাম, ‘তুই জমিদারের মেয়ে। আমাদের তো কিছুই নেই। কেবল মাথা খারাপ হলেই এমনটা ভাবা সম্ভব। এটা ভুলে যা।’

সে অনেক করে আমাকে বলতে লাগল আর সে যে এ বিষয়ে একদম নাছোড়বান্দা তা আমাকে বুঝিয়ে দিল। শেষমেশ কসম করে বলে ফেলল যে, কোনোদিনই সে অন্য কারও কাছে বিয়েতে রাজি হবে না।

আমি সেদিন তাকে ছেড়ে দিতে পারিনি।

নাইনে আমি প্রথম হলাম। আর রহিমা হলো দ্বিতীয়। আট বছর পর আমি তার রেকর্ড ভাঙলাম। কিন্তু এতে সে খুশি প্রকাশ করল।

তার পরিবার এটা জানার পর আমার প্রতি আগ্রহী হলো। রহিমা একদিন আমাকে ওদের বাড়িতে নিয়ে গেলে অনেক খাতিরযত্ন করা হলো।

এক বছর পার হলো। আমরা এখন নিউ টেনে। আমি রহিমার বাবার কাছে প্রাইভেট পড়ি। আরও কয়েকজন পড়ে আমার সাথে। কয়েক মাস হয়ে গেছে। মাস শেষ হওয়ার পর বেতন দিতে গেলে আমাকে বলা হচ্ছিল পরে দিতে। আমি একসময় বুঝতে পারি যে আমার বেতন নিতে চাওয়া হচ্ছে না। তাই তার কাছে প্রাইভেট পড়া বন্ধ করে দিলাম।

কয়েকদিন না যাওয়ার পর রহিমাকে তার বাবা বলে দিলেন আমি যাচ্ছি না কেন জানতে। স্কুলে রহিমা আমার কাছে জানতে চাইলে বললাম, ‘আমার একটা অসুবিধার কারণে যাইনি। যাব।’ রহিমা বাড়ি গিয়ে বলল।

তারপরও গেলাম না। কয়েকদিন পর আবার রহিমা জিজ্ঞেস করল আমি যেতে চেয়েও যাচ্ছি না কেন। আমি সেদিন বললাম, ‘তোর বাবা আমার কাছ থেকে বেতন নেয় না। আমি তাই প্রাইভেট পড়ব না।’

তারপর তার বাবা জানিয়েছিল যে বেতন নেবে আর আমি যেন যাই।

আবার প্রাইভেট পড়তে শুরু করলাম। কিন্তু পরে নেবো, পরে নেবো করতে করতে সেই আগের মতোই আমার কাছ থেকে বেতন নেওয়া হলো না। এরমধ্যেই একদিন আমাকে বলা হলো যে, আমার সাথে কথা আছে।

একটি রুমে রহিমা, তার মা, বাবা আর ভাবি আমার কাছে বসে ছিল। তার বাবা আমাকে বললেন যে তারা সবাই আমাকে পছন্দ করেন আর রহিমাকে আমার হাতে তুলে দিয়ে নিশ্চিন্ত হতে চান। আমি ব্যাপারটা মানতে চাইনি। কিন্তু আমাকে বারবার রহিমার প্রতিজ্ঞাটির কথা বলা হলো। সে তার পরিবারের কাছেও কঠিনভাবে বলে দিয়েছে। আমি আমার বয়স, আমার পারিবারিক অবস্থা—সবকিছু নিয়ে তাদের বোঝাতে চেয়েছিলাম যে আমার পক্ষে সম্ভব হবে না।

সেদিন বিকেল পেরিয়ে, সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত গভীর হতে যাচ্ছিল। সবাই আমার কাছে বসে ছিল। আমি শেষমেশ এ কথা না দিয়ে পারিনি যে রহিমাকে আমি গ্রহণ করব।

তাদের বাড়িতে আমার নিয়মিত যাতায়াত হতে থাকল। একদিন আমি গিয়ে রহিমাকে পেলাম না। ভাবিকে জিজ্ঞেস করলাম যে, ‘ভাবি, রহিমা কোথায় গেছে?’ তিনি বললেন, ‘গোসল করতে।’ আমি কিছু না ভেবে সেদিকেই চলে গেলাম আর ওকে ডাকতে ডাকতে গোসলখানাতেই ঢুকে পড়লাম। রহিমা আমাকে দেখে তাড়াতাড়ি কাপড়চোপড় দিয়ে নিজেকে ঢাকতে চাইল। আমিও অপ্রস্তুত ছিলাম। রহিমা বলল যে, ‘আপনি বাইরে যান, কাপড় পালটে আসছি।’

কথাটা একটু গায়ে লাগল। বললাম যে, ‘তুই এখনই আমার সাথে এরকম করছিস। আমাকে বের হয়ে যেতে হবে। আমাকে দেখে নিজেকে লুকাতে চাস।’

সে কথাটা শুনে কাপড়চোপড় ছেড়ে দিল। আমি বিস্মিত হয়ে তৎক্ষনাৎ ঘুরে দাঁড়ালাম। সে বলছিল আমি যেন তাকে ইচ্ছামতো দেখি। আমি বলতে লাগলাম, ‘তাড়াতাড়ি তুই গা ঢাক, না হলে তোর সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’

তার অনেকদিন পর। জানলাম রহিমার ভাই বাড়ি এসেছে। তখন কলেজে পড়ি। তার ভাইকে আমার ব্যাপারে সবকিছু জানানো হয়েছিল। আমি দেখা করতে যাওয়ার পর আমাকে তিনি বলেছিলেন, ‘যেখানে যার হক নেই তার পাওয়া হয় না। বেল পেকে গেলেও কাকের ভাগ্য হয় না।’ আমার খুব লেগেছিল। রাহিমাদের বাড়িতে যাওয়া বন্ধ করেছিলাম। তারপর ঢাকায় চলে আসি।

পড়াশোনা ছেড়েছিলাম। ভালো ছাত্র ছিলাম। মেডিকেলে চান্স পেয়েছিলাম, কিন্তু যাওয়া হয়নি। ঢাকায় এসে ব্যবসায় মন দিলাম।

আমার জন্য পাত্রী দেখা হচ্ছিল। বিষয়টা জানানো হয়নি আমাকে। একদিন বাড়িতে যেতে বলা হলো।

সোমবার ছিল। বাড়িতে গিয়ে অন্যরকম অবস্থা দেখলাম। অনেক আত্মীয়স্বজন আসছে। কিন্তু সবার মধ্যেই কেমন চুপচাপ চুপচাপ ভাব থাকছে। আমি বিষয়টা আসলেও বুঝতে পারছিলাম না। আমার পাঠানো আঠারো হাজার টাকার সম্পূর্ণটা দিয়ে বিয়ের বাজার করা হয়েছিল। সেগুলো সিলিংয়ের ওপরে রাখা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার কোনোভাবে আমার দৃষ্টি যায় সেদিকে। আমি মাকে জিজ্ঞেস করি এগুলো কী। আমাকে বিষয়টা পরিষ্কার করা হয় না। আমি তখন খুবই বিভ্রান্ত। তারপর কাছের সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলি, ‘তোমরা আসলে কী করছ আমাকে বলো। আমার জন্য মানাটা কষ্টকর হলেও তোমাদের সবার সিদ্ধান্ত মেনে নেবো।’

শুক্রবার আমার বিয়ে, এটা আমাকে বৃহস্পতিবার রাতে জানানো হলো। অনেক ব্যথিত ছিলাম।

শুক্রবার সকালে আমাকে সাজাতে চাওয়া হলো। কিন্তু নিজেরটা নিজেই করতে পারব বলে চুল ছেঁটে নদীতে গোসল দিতে চলে গেলাম।

বড় স্বাভাবিকভাবেই বিয়েটা হয়ে গেল। বাসর রাতে আমার মোবাইলে কল এলো। রহিমা। মোবাইল ধরার পর সে জিজ্ঞেস করল, ‘আপনি আজ বিয়ে করেছেন?’ আমি বললাম, ‘নাহ।’ ‘আপনি করেছেন।’ ‘পাগল হয়েছ!’ ‘আমি স্বপ্নে দেখেছি আপনি বিয়ে করেছেন। আমার মন বলছে এটা সত্যি।’ আমি দুঃখের সাথে স্বীকার করেছিলাম পরে। রহিমা তখনও বলেছিল, সে তার নিজের প্রতিজ্ঞাটির কথা ভুলে যাবে না।

দুবছর পর স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুড়বাড়ি থেকে ফিরছি। আমার তখন দেড় বছরের একটি ছেলে। রাস্তায় আমরা একটি হোটেলে ঢুকলাম।  হোটেলের এক টেবিলে রহিমা আর তার ভাবি খাচ্ছিল। খেয়াল করিনি। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কোনোভাবে  তার পায়ের ওপর আমার জুতা পড়ল। আমি দেখে হাঁটতে পারি না… ইচ্ছা করেই পা মাড়িয়েছি… এরকম কিছু বলতে লাগল সে। আমি দুঃখ প্রকাশ করলাম। তখনও একজন-আরেকজনকে ভালো করে খেয়াল করিনি। রহিমাই আমার চেহারার দিকে ভালো করে তাকিয়ে ঝট করে দাঁড়িয়ে পড়ল। চিনতে পেরে তার ভাবিও দাঁড়িয়ে গেলেন। রহিমা বারবার মাফ চাইতে লাগল। তারপর সে আমার স্ত্রী ও সন্তানকে দেখতে পেল। কাঁদতে লাগল রহিমা। এত কাঁদল, এত বেশি কাঁদল যে ব্যাপারটি বুঝতে পেরে আমার স্ত্রীর বোঝার কিছু বাকি থাকল না। আমার ছেলেকে নিয়ে রহিমা অনেকক্ষণ কোলে রাখল। আমার স্ত্রী কত ভাগ্যবতী তা বারবার বলতে লাগল।

রহিমা আজও কারও সাথে বিয়েতে রাজি হয়নি। বিশ বছর তো হলো। আমিও পছন্দের কারও সাথে তার বিয়ের ব্যবস্থা করতে চেষ্টা করেছি। কিন্তু সম্ভব হয়নি। সে মৃত্যু পর্যন্ত সেই প্রতিজ্ঞাটির কথা মনে রাখবে।

দিনগুলো কত ব্যস্ততায় কাটে। কত টাকা কামাই। তিন ছেলেমেয়ে হয়ে গেল আমার। তারা বড় হচ্ছে। কিন্তু আমার মন এখনো এক ভীষণ বিষণ্নতা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। এখনো বুকের ভেতরে কেমন আগুনের তাপ অনুভব করি।

রহিমার ভাই আমার কাছে খুব করে ক্ষমা চেয়েছিল। আমি নিজের অপারগতা প্রকাশ করেও, বহুদিন বহু দূরে থেকেও মেয়েটার কথা ভুলি না। রহিমা বেঁচে আছে আর নিজের প্রতিজ্ঞার কথা মনে রেখেছে।… (চলবে) ●

মাই নিউজ/মাহদী

০ Comments

Leave a Comment

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password

শিরোনাম:
  ❖   ব্রেকিং: বরাকাহ পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের ইউনিট 1 এর নিরাপদ স্টার্ট-আপ সফলতা অর্জন করেছে   ❖   এবার হুয়াওয়েকে নিষিদ্ধ করল যুক্তরাজ্য   ❖   রিজেন্টর চেয়ারম্যান সাহেদ গ্রেফতার   ❖   কাল থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে আরব আমিরাতের মসজিদ   ❖   এডিআইও আবুধাবিতে স্টার্টআপের তহবিলের প্রবেশাধিকার বাড়ানোর জন্য শোরুক পার্টনার্স বেদায়া তহবিলে বিনিয়োগ করেছে   ❖   বাইতুল মোকাররমের খতিব হতে পারেন মাওলানা হাসান জামিল সাহেব!   ❖   ভারতীয় একজন কিডনী ব্যর্থতায় আক্রান্ত শিক্ষার্থীকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, তুমি নিরাপদ হাতে রয়েছ   ❖   উচ্চ আদালতের স্থিতিবস্থা জারির পরও ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে রাজধানীর একটি মসজিদ   ❖   করোনাকালে ক্বওমী মাদরাসাগুলোর ১২ চ্যালেঞ্জ   ❖   চাকরিচ্যুৎ সেই ইমামকে স্বপদে বহাল করতে লিগ্যাল নোটিস